চলচ্চিত্রের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো মানুষের হৃদয়ের সূক্ষ্মতম সহানুভূতি ও নিঃশব্দ অনুভূতিকে দৃশ্য ও শব্দের মেলবন্ধনে প্রকাশ করা। বাংলাদেশ ফিল্ম ইনস্টিটিউট (BFI) আয়োজিত ৬৭তম ফিল্ম মেকিং ব্যাচের শিক্ষার্থীরা তাদের প্র্যাকটিক্যাল প্রজেক্ট হিসেবে বেছে নিয়েছে এমনই এক গভীর মানবিক ও হৃদয়স্পর্শী গল্প—“সাইলেন্স”।
২৫ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে রাজধানী ঢাকার ঐতিহ্যবাহী রমনা পার্কের ছায়াঘেরা সবুজ চত্বরে শর্ট ফিল্মটির দৃশ্যধারণ সম্পন্ন হয়। ৬৭তম ব্যাচের তরুণ নির্মাতা জান্নাত শারমিন সুমি, ইউনুসুল আলি, তানজিদা ইসরাত জাহান ঋতু, দেবাশীষ বালা ও আফজাল হোসাইনের যৌথ পরিচালনায় প্রতিটি দৃশ্য নিপুণভাবে ক্যামেরাবন্দি করা হয়।
চিত্রশিল্পী রেজওয়ান সাহেবের ইজেল ও ক্যানভাসের প্রপস সাজানো থেকে শুরু করে শিশুশিল্পী মিতুলের নিঃশব্দ অভিব্যক্তি ফুটিয়ে তোলা, লো-অ্যাঙ্গেল ফ্রেমিং এবং পার্কের হাঁটাপথে ওয়াইড লং-শট পরিচালনা—প্রতিটি ক্ষেত্রেই শিক্ষার্থীরা তাত্ত্বিক শিক্ষার সার্থক ব্যবহারিক প্রয়োগ ঘটিয়েছে।
বধির পথশিশু মিতুল চরিত্রের নিঃশব্দ আবেগ ও শরীরী ভাষা ফুটিয়ে তুলতে শিশুশিল্পীর সাথে নিবিড় ওয়ার্কশপ ও নির্দেশনা।
রমনা পার্কের প্রাকৃতিক পরিবেশে চিত্রশিল্পীর ইজেল, ক্যানভাস, রঙের প্যালেট ও তুলির বাস্তবসম্মত সেট তৈরি।
শিশু চরিত্রের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরতে আই-লেভেল ও লো-অ্যাঙ্গেল ট্রাইপড ফ্রেমিং এবং পার্কের ওয়াকওয়েতে লং-শট কম্পোজিশন।
৬৭তম ব্যাচের পাঁচজন শিক্ষার্থী-পরিচালকের সুশৃঙ্খল দায়িত্ব বণ্টন ও টিমওয়ার্কের মাধ্যমে সফল আউটডোর শুটিং।




